এক সাক্ষাৎকারে ইমদাদুল হক মিলন বলেছিলেন, 'বাংলাদেশের প্রথম জনপ্রিয় লেখক আমি।' কথাটা একদম সত্য। ১৯৭৭ সালে ইমদাদুল হক মিলনের প্রথম উপন্যাস 'যাবজ্জীবন' প্রকাশিত হয়। তার আগে এটা বাংলা একাডেমির 'উত্তরাধিকার' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ছাপা হয়েছিল। উপন্যাসটি প্রবল পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে। ইমদাদুল হক মিলন ছিলেন লেখাকে পেশা হিসেবে নেওয়া বাংলাদেশের প্রথম লেখক। এবং ঐ সময়ের প্রেক্ষাপটে এটা ছিল বিরাট চ্যালেঞ্জিং একটা ব্যাপার। কেননা তখন এদেশের মানুষ কলকাতার বাংলা বই পড়ত। পাঠক আকৃষ্ট করার মতো লেখকের এদেশে অভাব ছিল।
সেই প্রতিকূল সময়ে ইমদাদুল হক মিলন লিখে যেতে লাগলেন। এবং দেখা গেল, অচিরেই তিনি তুমুল পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করে ফেলেছেন। এখানে একটা বিষয় বলা দরকার। মিলন একের পর এক পাঠক মনোরঞ্জনকারী বই লিখেছেন। সেগুলো পাঠক গ্রহণও করেছে। কিন্তু এর মধ্যেই তিনি সিরিয়াস ঘরানার উপন্যাসও লিখেছেন। কিন্তু মিলনের লেখার সাহিত্যমান বিচারের ক্ষেত্রে ঐ লেখাগুলো অগোচরেই থেকে গেছে। এরকম কয়েকটি উপন্যাসের আমরা নাম উল্লেখ করতে পারি, যেমন- যাবজ্জীবন, ভূমিপুত্র, কালোঘোড়া, অধিবাস, পরাধীনতা, নদী উপাখ্যান, বাঁকাজল, কালাকাল, নূরজাহান ইত্যাদি। তিনি যদি সারাজীবনে শুধু এই উপন্যাসগুলোই লিখতেন তাহলেও তিনি নিশ্চিতভাবেই এদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য হতেন। কিন্তু মিলনের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এই বিবেচনা কাজ করে না।
যে বছর মিলনের 'যাবজ্জীবন' বের হয়, ঐ বছরেই তাঁর ছোটগল্পের বই 'নিরন্নের কাল' প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থের কয়েকটি গল্প মানুষের মনোজগতে প্রবলভাবে নাড়া দিয়ে যায়। সমাজের নিষ্ঠুরতা, অসারতা এবং বিদ্যমান বৈষম্য নগ্নভাবে উন্মোচিত হয়েছে এইসব গল্পে। এছাড়া গল্পগুলোতে লেখকের অসামান্য শিল্পকুশলতা ফুটে উঠেছে। আমরা বর্তমান লেখায় ইমদাদুল হক মিলনের 'সেরা দশ গল্প' বই নিয়ে আলোচনা করব। বইটি ২০১৬ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় অন্যপ্রকাশ থেকে বের হয়। লেখকের এ ধরনের আরও বেশকিছু বই আছে। যেমন- মুক্তিযুদ্ধের গল্প, কিশোর গল্প, ছোটদের মুক্তিযুদ্ধের গল্প, শ্রেষ্ঠ প্রেমের গল্প ইত্যাদি। কলকাতার আনন্দ পাবলিশার্স থেকে বেরিয়েছে "পঞ্চাশ গল্প: ইমদাদুল হক মিলন"- এই শিরোনামে আরেকটি বই।
গ্রন্থের প্রথম গল্প 'জোয়ারের দিন'। নদীতে জোয়ার এলে গল্পের নায়ক ইরফান রাতের বেলা সঙ্গমরত বোয়াল ধরতে যায়। এটা তার কাছে এমনই এক নেশা, বউয়ের আদর, ভূতের ভয় কিছুই নিবৃত্ত করতে পারে না তাকে। একদিন বোয়াল মাছের সন্ধানে সে মাঝরাতে বিলের মধ্যে যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মাছের সন্ধান পায় না। একপর্যায়ে লক্ষ্য করে তার ডানে-বামে, চারিদিকে অসংখ্য বোয়াল যেন খলবল করছে। অথচ সে ধরতে গেলে আর পায় না। সে মাছের দিকে এগিয়ে গেলে মাছের শব্দ দূরে সরে যায়। সে যতই এগোয়, মাছ তত দূরে সরে যায়। এভাবে রাত গভীর হয়। বিড়ির নেশার মতো ইরফানও হন্যে হয়ে মাছের পিছু ছুটতে থাকে। জল গভীর হয়, কিছু মাছ তার কাছে অধরাই থেকে যায়। গল্পের ভাষা অসম্ভব গতিময় এবং শৈল্পিক সুষমাম-িত; হৃদয়-মনকে আনন্দ-হিল্লোলে একেবারে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। গল্পের বোয়াল আর বোয়াল থাকে না। এই মাছ হয়ে ওঠে স্বপ্ন আর প্রত্যাশার প্রতীক, যা সবসময় অপূর্ণই থেকে যায়। অনিশ্চয়তা জেনেও মানুষ পরিণামহীন গন্তব্যের দিকে ছুটে চলে। না-বলা কথার মধ্য দিয়ে লেখক এই কথাটাই হয়তো বলতে চেয়েছেন। 'জোয়ারের দিন' একটি কালোত্তীর্ণ গল্প। শুধু ইমদাদুল হক মিলনের নয়, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের মানদ-ে গল্পটি বিবেচনার দাবি রাখে।
দুর্ভিক্ষপীড়িত নিরন্ন মানুষকে একবেলা ভাতের জন্য কী নিদারুণ মূল্য দিতে হয়, তারই এক মর্মস্পর্শী চিত্র ফুটে উঠেছে 'নিরন্নের কাল' গল্পে। বুলবুলি ও দীনু দুই ভাইবোন। ওদের মা গেছে ভিক্ষে করতে। বাবা গেছে শহরে কাজ খুঁজতে। তখন চুয়াত্তরের দুর্ভিক্ষ চলছে। দুই ভাইবোন অনাহারী। মা-বাবার অনুপস্থিতিতে তারাও বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এদিক-ওদিক ঘুরে বাজারের কাছে এক দেবদারু গাছের ছায়ায় এসে বসে। ঐ গাছেরই নিচে এক কদাকার চেহারার লোক চাল ভর্তি একটা বস্তা নিয়ে বসে আছে। চালের বস্তা দেখে দুই ভাইবোনের ক্ষুধা আরও বেড়ে যায়। লোকটি দীনুকে একটা সিকি দিয়ে বাজারে গিয়ে বিস্কুট কিনে খেতে বলে। এই ফাঁকে সে বুলবুলিকে চালের লোভ দেখিয়ে পাশের জঙ্গলের দিকে নিয়ে তার সতীত্ব হরণ করে। দীনু বাজারে গিয়ে বিস্কুট খেয়ে ফিরে এসে দেখে বুলবুলি আঁচলে দুই-আড়াই সের চাল নিয়ে হাঁটুতে মাথা গুঁজে বসে আছে। বাড়ি যাওয়ার পথে দীনু তার বোন বুলবুলির পরনের ছেঁড়াখোঁড়া শাড়িতে রক্তের দাগ দেখে তার কারণ জিজ্ঞেস করলে বুলবুলি জবাব দেয়, "পেড ভইরা ভাত খাইতে অইলে রক্ত ইট্টু দেওন লাগবই। আমিও আইজ পেড ভইরা ভাত খাওনের লেইগা রক্ত দিছি।" বুলবুলির এই জবাব শুনে পাঠকের মন স্তব্ধ হয়ে যায়। চারপাশের সবকিছু অন্তঃসারশূন্য মনে হয়।
একজন নিঃস্ব, ভঙ্গুর মানুষের করুণ জীবন-আখ্যান "সোনাদাস বাউলের কথকতা" গল্পটি। সোনাদাস বাজারের পেছনে গগনবাবুর চালের আড়তে ধানচালের বস্তার আড়ালে এক চিলতে ঠান্ডা মাটিতে দুটো আড়াইমনি বস্তা কেটে বিছানা বানিয়েছে। মাথার কাছে দু'খানা থান ইট নিয়ে রাতে সেখানে শুয়ে থাকে। একেবারে সহায়-সম্বলহীন ভাসমান একটা মানুষ সোনাদাস। এই জগতে গগনবাবুর আড়তের ঐ স্থানটুকুই তার মাথাগোঁজার ঠাঁই। দিনরাত গগনবাবুর ফুটফরমাশ খেটে তার জীবন চলে। গগনবাবু বৃদ্ধ মানুষ। শেষ বয়সে পরিবারের কাছে থাকতে আড়ত বিক্রি করে কলকাতা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই কথা সোনাদাসকে জানালে সোনাদাস কোনো কথা না বলে বাজারের পেছন দিক দিয়ে দুঃখী মন নিয়ে সোজা হাঁটতে থাকে। লেখকের ভাষায়, "সোনাদাস ক্লান্ত বিষণœ ভঙ্গিতে মাঠ ভেঙে হেঁটে যায়। কোথায় যায়, কে জানে! এত বড় পৃথিবীতে সোনাদাসের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।" গল্প পাঠ শেষ হলে পাঠকের মন বিষণœতায় ভরে ওঠে। চারপাশের সবকিছু অর্থহীন মনে হয়।
আরেকজন ভাসমান, ছিন্নমূল মানুষের জীবন-চিত্রের সকরুণ রূপায়ণ "গাহে অচীন পাখি"। পবন ঠাকুর ওরফে পবনা সর্বস্ব হারিয়ে ফেলা নিঃস্ব একজন মানুষ। বাজারের এক মাছের চালার নিচে সে রাতে ঘুমায়। তার সাথে থাকে একটা নেড়ি কুত্তা। এই জগতে এটুকু ছাড়া তার আর কোনো ঠাঁই নাই। "পবনাকে দেখলে বাজারের লোকজন ক্ষেপে যায়। কুত্তা-বেড়াল খেদানোর মতো দূর দূর করে।" এমনকি কোনো দোকানদার পবনাকে দিয়ে দোকানের গ্লাসও পরিষ্কার করায় না, পাছে দোকানের বদনাম হয়ে যায়। পবনা দোকানের সামনে বসে থেকে আমৃত্তি ভাজা দেখে। তার খুব লোভ হয় আমৃত্তি খাওয়ার। কিন্তু দোকানি তাকে গ্রাহ্য করে না। আওয়াল নামের বাজারের একজন ব্যবসায়ী একদিন পবনাকে রসিকতা করে বলে, সে যদি আড়াই সের আমৃত্তি খেতে পারে তবে তার দোকানে পবনাকে সারাজীবন থাকতে দেবে, সঙ্গে খাওয়াও দেবে। আর না পারলে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে এই বাজার থেকে বের করে দেবে। পবনা এই বাজিতে সাথে সাথে রাজি হয়ে যায়। পবনা তার বহু দিনের লালিত আমৃত্তি খেতে বসে। খেতে খেতে প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে আসে। কিন্তু তার শরীর যেন কেমন করে। সে উঠে দাঁড়ায়। অমনি আওয়াল ধমক দিয়ে ওঠে। পবনা নড়েচড়ে বসে পুনরায় বাকি আমৃত্তিগুলো খাওয়া শুরু করে। একটা আমৃত্তি অবশিষ্ট থাকতে পবনা অন্যরকম হয়ে যায়। শেষেরটা নিজে না খেয়ে তার নেড়ি কুত্তাটাকে দিতে চায়। কিন্তু আওয়ালের আপত্তির মুখে শেষ আমৃত্তিটাও মুখের মধ্যে দিয়ে পবনা সেখান থেকে উঠে সোজা নদীর দিকে চলে যায়। পরদিন সকালে নেড়ি কুত্তাটা তার প্রভু পবন ঠাকুরকে খুঁজতে থাকে। বাজারের এদিক-ওদিক খুঁজে না পেয়ে নদীর তীরে যায়। গল্পের শেষ অংশটা এরকম, "কুত্তাটা দেখে দুখানা নাওয়ের মাঝখানের মাটিতে পবন ঠাকুর হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে আছে। দেখে কুত্তাটা দু-তিনখানা ঘেউ দেয়। পবন ঠাকুর নড়ে না। কুত্তাটা কী বোঝে কে জানে, সে আর ঘেউ দেয় না। একটা নাওয়ের সামনে পা তুলে পেচ্ছাপ করে।" কুকুরের এই পেচ্ছাব কি আমাদের অমানবিক সমাজ এবং নিষ্ঠুর সমাজব্যবস্থার মুখের উপর? এই পেচ্ছাব জীবনের তুচ্ছতা এবং গ্লানিকে নগ্নভাবে উন্মোচন করে দেয়। গল্পের বুনন কৌশল, ভাষার ব্যবহার, প্রতীকময়তা এবং সর্বোপরি গল্পের পরিণতি পাঠককে তীব্র এক অপরাধবোধে তাড়িত করে।
একদিকে ধর্মীয় অন্ধত্ব, গোঁড়ামি এবং অন্যদিকে মানব-মানবীর চিরকালীন প্রেম- এই দুই দ্বন্দ্বের ট্র্যাজিক পরিণতির প্রতিফলন ঘটেছে "মেয়েটির কোনো অপরাধ ছিল না" গল্পে। মুসলমান মেয়ে কুসুম এবং হিন্দু ছেলে পবনের ভালোবাসা গ্রামের মানুষ মেনে নিতে পারে নাই। তাদের প্রেমের জন্য গ্রাম্য সালিশে একশ কোড়া বেতের বাড়ি মারা হয় কুসুমকে। অন্যদিকে হিন্দু পবনের নিকট থেকে আদায় করা হয় দেড় হাজার টাকা জরিমানা। ঐ টাকা গ্রামের মসজিদ পাকা করার কাজে ব্যয় হবে। প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতের গ্লানি ঘোচাতে শেষপর্যন্ত কুসুম বিষ পানে আত্মহত্যা করে। এই গল্পের ভাষাশৈলী মনোমুগ্ধকর। গ্রামীণ নিসর্গ এবং মানুষের জীবনপ্রণালীর অকৃত্রিম চিত্র লেখকের কলমের তুলিতে বাক্সময় হয়ে উঠেছে। দৈর্ঘ্যে কিছুটা বড় হলেও ঝরঝরে ভাষার এই গল্প একটানে পড়ে ফেলা যায়।
নেতার প্রতি একজন হতদরিদ্র ভাগচাষির ভালোবাসার আবেগময় গল্প, "নেতা যে রাতে নিহত হলেন"। এ নেতা হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক, যিনি অন্যের জমি ভাগে চাষ করেন। এক চিলতে জমিতে কালিজিরা ধান চাষ করে সেই ধানের চিড়া বানিয়ে নেতাকে দেখতে এসেছেন। নেতার বাড়ির আশেপাশে ঘুরঘুর করতে দেখে সন্দেহবশত পুলিশ তাকে ধরে এনে থানার গরাদে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল। হঠাৎ খুব ভোরে খবর আসে, নিজের ঘনিষ্ঠ লোকের ষড়যন্ত্রে নেতা (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব) নিহত হয়েছেন। এমতাবস্থায় পুলিশ আটককৃত কৃষককে ছেড়ে দিতে গেলে সে বলে, "আমাকে ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে না সাহেব। আমাকে হাজতেই রাখুন। ছেড়ে দিলে নেতা হত্যার প্রতিশোধ নেব আমি।" এই গল্পে আমরা দেশের সাধারণ জনমনে বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর আবেগ আর ভালোবাসার প্রকাশ দেখতে পাই।
ইমদাদুল হক মিলনের গ্রামীণ পটভূমি নিয়ে লেখা গল্পগুলোতে দেখা যায়, তিনি মানুষের জীবনযাপনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনুষঙ্গ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং অত্যন্ত মায়া ও দরদ দিয়ে গল্পে তা তুলে আনেন। গ্রামীণ নিসর্গ অপরূপ সৌন্দর্য নিয়ে তার গল্পে ধরা দিয়েছে। শহরে, হাটে-বাজারে অবহেলিত ছিন্নমূল মানুষের অসহায়ত্ব, লাঞ্ছনা ও গ্লানিময় জীবনের প্রতি লেখক পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ তাঁর মনোযোগের বাইরে থাকেনি। তিনি গভীর দেশাত্মবোধ থেকে সেসব ঘটনার নির্যাস শৈল্পিক ব্যঞ্জনায় তাঁর গল্পে ধরতে চেয়েছেন। তাঁর গল্প বলার একটা শক্তির জায়গা হলো, পাঠককে গল্পের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেতে হয়। গল্পের ঘটনাপ্রবাহ থেকে পাঠক নিজেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারে না।
বাংলা সাহিত্যে ইমদাদুল হক মিলনকে একজন জনপ্রিয় ধারার ঔপন্যাসিক হিসেবে দেখাই নিরাপদ ভাবা হয়। তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় লেখক, সন্দেহ নেই। কিন্তু গল্পকার হিসেবে মিলনের সার্থকতা অনেকটাই আড়ালে পড়ে আছে। কিন্তু তাঁর সেরা গল্পগুলো পাঠ করলে বাংলা ছোটগল্পে তাঁর শক্তিশালী অবস্থান অস্বীকার করার উপায় থাকে না।
অলংকরণঃ তাইফ আদনান
