জলধি / কবিতা / সাহানা মহাম্মদ হাসানের তিনটি কবিতা
Share:
সাহানা মহাম্মদ হাসানের তিনটি কবিতা
নিঃসংশয় লাগে

নিঃসংশয় লাগে, উৎসমুখে জলের তীব্রতা
সর্বদাই বেশী থাকে বলে অনুজীবের যাপনচিত্র
চোখে পড়ে না তো; দূরে কোন স্থির জলে
কিংবা বহমান স্রোতের ধারায় ধীবরের গান
লাগে সুমধুর; এরুপ আশ্চর্য ক্ষণে সূর্যের কণাগুলো
ডুবে যায় মাছেদের সাথে সাথে জলের অতলে
তবু আঁধার তো কাটে না উৎস্যমুখে।

প্রত্যেকের নিজস্ব কবিতা আছে।

আলো দেখে পতঙ্গ আকৃষ্ট হয় বলে
মৃত্যু চলে আসে তার অতি সন্নিকটে।


আয়না দর্শন

মৃত্যুর পূর্বে
শেষবারের মত
লোকটি বলল,
আমাকে জল নয় বরং
আয়না দেখাও
আয়নাতে শেষবার আমি
শয়তানটাকে দেখে নিতে চাই।


চলক বিষয়ে ব্যক্তিগত অনুসিদ্ধান্ত

বহুবার পাঠ্য বইতে পড়েছি
স্থান ও সময় উভয়েই চলক।
সহমত তবে,
আমার নিকট মনে হয়েছে
স্থান চলক হলেও
সময়ই প্রধান চলক।

ব্যবধান- পৃথিবী ধ্বংশ যখন পূর্ব নির্ধারিত বিষয়
           বিজ্ঞানও তাই বলে
           তবে স্থান শুধু ভিন্ন
           এবং ধ্বংশ মুহূর্তেও
           সময় ক্রিয়াশীল প্রধান চলক।



অলংকরণঃ আশিকুর রহমান প্লাবন